ডুব অবশ্য নেটফ্লিক্সে ফারুকীর প্রথম সিনেমা নয়, এর আগেও এই নির্মাতার টেলিভিশন এবং পিঁপড়াবিদ্যা নেটফ্লিক্সে জায়গা করে নিয়েছিল...

মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর সিনেমা মানেই যেন আলোচনা আর সমালোচনার জন্ম, বিতর্কের ঢেউ। 'ডুব: নো বেড অফ রোজেস' সিনেমাটাও এর ব্যতিক্রম ছিল না। ভারতীয় অভিনেতা ইরফান খানের অভিনীত একমাত্র বাংলা সিনেমা ছিল ডুব, গল্প শুনে তার এতই পছন্দ হয়েছিল যে, সিনেমাটির সহ-প্রযোজক হবার প্রস্তাবও দিয়ে বসেছিলেন তিনি। অথচ সেসবকে ছাপিয়ে ডুব আলোচনার খোরাক যুগিয়েছিল এটি কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের জীবনের ঘটনা অবলম্বনে নির্মিত কিনা- সেটি নিয়ে। 

২০১৭ সালের ২৭শে অক্টোবর বাংলাদেশ ও ভারতে একযোগে মুক্তি পেয়েছিল ডুব। বাংলাদেশ থেকে সিনেমাটির প্রযোজক ছিল জাজ মাল্টিমিডিয়া, ভারত থেকে এস্কাই মুভিজ এবং ইরফান খান। ১০৫ মিনিট দৈর্ঘ্যের ডুব এবার মুক্তি পেতে যাচ্ছে অনলাইন স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম নেটফ্লিক্সে। আগামী ৫ই ফেব্রুয়ারী থেকে নেটফ্লিক্স ইন্ডিয়ার গ্রাহকরা সিনেমাটি উপভোগ করতে পারবেন। যদিও নেটফ্লিক্সে ফারুকীর প্রথম পদার্পণ নয় এটি, এর আগেও এই নির্মাতার টেলিভিশন এবং পিঁপড়াবিদ্যা নেটফ্লিক্সে জায়গা করে নিয়েছিল। 

ডুব সিনেমার একটি দৃশ্যে ইরফান ও তিশা

নেটফ্লিক্সে যাওয়ার আগে বাংলাদেশী স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম আইফ্লিক্সে প্রদর্শিত হয়েছিল ডুব। এই সিনেমায় ইরফান খান ছাড়াও বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন নুসরাত ইমরোজ তিশা, পার্নো মিত্র এবং রোকেয়া প্রাচী। চিত্রগ্রহণে ছিলেন শেখ রাজীবুল ইসলাম। বাংলার পাশাপাশি ইংরেজী ভাষাতেও ডাবিং করা হয়েছে সিনেমাটির। বেশ কিছুদিন তথ্য মন্ত্রণালয়ের আপত্তিতে আটকে থাকার পর কিছু দৃশ্য কর্তনের শর্তে ডুবকে ছাড়পত্র দিয়েছিলেন সেন্সরবোর্ডের সদস্যরা। 

সিনেমার কাহিনী নিয়ে হুমায়ূন আহমেদের স্ত্রী মেহের আফরোজ শাওনের অভিযোগের ভিত্তিতেই তখন এমন পদক্ষেপ নিয়েছিল তথ্য মন্ত্রণালয়। শাওনের অভিযোগ ছিল, হুমায়ূন আহমেদের জীবনের বিতর্কিত অংশ নিয়েই ডুব- এর গল্প বুনেছেন পরিচালক। যদিও মোস্তফা সরয়ার ফারুকী বরাবরই এই অভিযোগ অস্বীকার করে এসেছেন, তিনি বলেছেন বলেছেন ছবিটির পাত্রপাত্রী এবং কাহিনি সবই কাল্পনিক।


শেয়ারঃ


এই বিভাগের আরও লেখা